PropellerAds ভাঙ্গায় সরকারি ১০০ কোটি টাকার খাস জমি দখল। – www.DpNews24.com
www.DpNews24.com

ভাঙ্গায় সরকারি ১০০ কোটি টাকার খাস জমি দখল।

ফরিদপুর জেলা ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গা ১ নং মডেল পৌরসভার ভাঙ্গা থানার প্রাচীর সংলগ্ন উত্তর পাশে সরকারি অনুমান ১০০ কোটি টাকার খাস জমি, ভূমি দস্যু ও ভাঙ্গা বাজার বনিক সমিতির তৎকালিন সভাপতি এবং বর্তমান সাধারন সম্পাদক আবু জাফর মুন্সি। কে এই আবু জাফর মুন্সি !
 যে ভাবে নাটক সাজিয়েছেন সদরপুর উপজেলার ১৪ রশির জমিদার জমি দাতা দক্ষিনা রঞ্জন রায় চৌধরী ও রমেশ চন্দ্র রায় চৌধুরী ৩১/১২/১৯৪৮ ইং সনে নবাবগঞ্জ শিংগার উপস্থিত হয়ে এই ৯০ শতাংশ ভুমি আহম্মদ আলী চৌধুরী কে দলিল করে দেয়।

অথচ ১৯৪৭ সনেই জমিদার দক্ষিনা চন্দ্র রায় চৌধুরী ও রাজেন্দ্র রায় চৌধুরীর পুত্র, রমেশ চন্দ্র রায় চৌধুরী যশোর বেনাপোল হয়ে ভারতে চলে জায়, তা হলে নবাবগঞ্জ সিংগার হয়ে ঢাকা রেজিষ্টারি অফিসে গেল কিভাবে!
 জমিদার সাহাবুদ্দিন চৌধুরী পিতা মৃত্যু আহম্মদ আলি চৌধুরী পেশা জমিদার জেলা নবাবগঞ্জ, থানা শিংগার নামে ১৯৪৮ সনের জাল দলিল নং ৩৬২০ তাং ৩১/১২/১৯৪৮ ইং জমি দাতা জমিদার দক্ষিনা রঞ্জন রায় চৌধরী ও রমেশ চন্দ্র রায় চৌধরী ১৪ রশি সদরপুর।
 নকল তুললে দেখা যায় ঐ দিনে ৩৬২০ নাম্বার দলিল দাতা গ্রহীতা স্থানীয় বাসিন্দা। অথচ এই তারিখ দিয়ে, গ্রহিতা আহাম্মদ আলী চৌধরী সিংঙ্গার নবাবগঞ্জ, একটি জাল দলিল তৈরি করে।

এই দলিলটা বানিয়ে আবু জাফর মুন্সি ( চোট পার্টির মতো) তিন টি লোককে আহাম্মদ আলী চৌধরীর ছেলে,১। সাহাবুদ্দিন চৌধরী ২। আপ্তাব হোসেন চৌধরী ৩। এনসান উদ্দিন চৌধরী এখানে (পেষা ব্যবসা লিখেছেন,) সাজিয়ে ভাংগা এস আর অফিসে গত ইং ০৯/০৩/২০০২ তারিখে ১৩৯১ও ১৩৯২ নাম্বার দলিল মুলে সাফ কওলা দলিল করে।
 দখলকৃত জমির ইতিহাস: উল্লেখ থানা প্রাচীর সংলগ্ন ভূমিটি চৌবাচ্চা নামে খ্যাত ছিল। ভাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে নৌকা এসে এই চৌবাচ্চায় বেঁধে রাখতো।

ভাঙ্গা পৌরসভার মেয়র এফ এম রেজা ফয়েজ মিয়া চৌবাচ্চাটি ৫৭ লক্ষ টাকা খরচ করে মাটি ভরাট করে পৌর মার্কেট নির্মান করতে গেলে আবু জাফর মুন্সি জমিটি দলিল মুলে খরিদ করেছেন বলে ভাঙ্গা সহকারি সিনিয়র জজ আদালতে পৌর সভার বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন।পৌরসভার মেয়র উর্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন না নিয়া চৌবাচ্চাটি ভরাট ও জাফর মুন্সীর দলিলের কারনে মামলায় হেরে গিয়ে ফরিদপুর জজ কোটে আপিল করেন।

 পৌরসভা মামলায় হেরে যাওয়ার কারন ব্যাপক অনুসন্ধান করিয়া আমি জানতে পারি দলিলটি জাল জালিয়াতি করে তৈরী করেছেন।
 ঐ সময়ে নবাবগঞ্জ শিংগার আমি ২ দিন অবস্থান করে জানতে পারি ঐ নামে কোন জমিদারের পরিবার নাই ছিলও না কোন দিন।
 জাল জালিয়াতির বিষয়টি লিখব ভেবে পূর্নরায় গত মে মাসে ২০১৯ তুজারপুরে আইনদ্দিন ফকিরকে ০১৭২৮৯১৬০১১ নিয়েও জেলা নবাবগঞ্জ থানা শিঙ্গার ২ দিন অবস্থান করেছি।

 সকলের সাথে কথা বলেছি। জমিদার আহাম্মদ আলী চৌধুরী তার ছেলে শাহাবুদ্দিন চৌধুরী নামে কারো অস্তিত্ত নাই । অথচ শাহাবুদ্দিন চৌধুরী ২। আপতাব উদ্দিন চৌধরী ৩।

এহসান উদ্দিন চৌধরী ভাঙ্গা এসে ভাঙ্গা বাজারের সাবেক সভাপতি বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মুন্সি, ২। নূর হোসেন মোল্লা ৩। ফারুক আহাম্মেদ ৪। মোতালেব মুন্সীকে ছাব কওলা মুলে দলিল করে দেন কিভাবে ! বর্তমান ভাঙ্গা বাজার বনিক সমিতির সভাপতি ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সহিদুল হক মিরু মুন্সী ০১৭১২৮২৪৫০১ সহকারী সিনিয়র জজ আদালতে তার জবান বন্দিতে বলেছেন,দলিলে আমার নাম দিয়েছেন আমি কিছুই জানিনা।

 আর শাহাবদ্দিন চৌধুরীর নামও শুনিনি কোনদিন। প্রথম তদন্তের বিষয়টি: আমি ভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সহিদুজ্জামান সাহিদ ০১৯১২৮৯৯৬৮৬কে জাল দলিলটির নকল উঠাইতে বলিলে তিনিও দলিল তুলে দেখতে পান দলিলটি আসলেই জাল জালিয়াতি করে তৈরি করেছেন।
সহিদুজ্জামান সাহিদ দলিলটি পৌরসভা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও পৌরসভার মেয়র এফ এম রেজা ফয়েজ মিয়াকে ০১৭৫৬৯৩৬৯৯০ দেন।
ফয়েজ মিয়া দলিলটি আসলেই জাল কিনা পূর্নরায় জানার জন্য পৌরসভার হিসাব রক্ষক কাওছার ০১৭১২৯১২৯৩৪ কে দিয়ে দলিলটির নকল উঠিয়া আনিয়া পৌর মেয়র দেখতে পান দলিলটি আসলেই জাল জালিয়াতি করে তৈরি করেছেন।

পূরাতন ষ্ট্যাম্প জোগাড় করে সেই আমলের সীল সাক্ষর ব্যবহার করে ভূয়া ঐ সময়ের একটি দলিল নাম্বার দিয়ে তৈরি করেছেন।
 বিষয়টি জেলা প্রসাশক মহোদয়কে অবগত করিলে,জেলা প্রসাশক মহোদয় দলিলটি জাল জালিয়াতি করে তৈরি করেছেন কিনা তা জানার জন্য পুর্নরায় নাবাগঞ্জে তদন্ত করিয়া দেখতে পান দলিলটি জাল আসলেই জাল জালিয়াতি করে তৈরি করেছেন।

 ১। জেলা প্রশসাশক ২। অতিরিক্ত জেলা প্রসাশক,৩। ভাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ৪। সহকারি কমিশনার (ভূমি) ভাঙ্গা, সরকারের পক্ষে বলেন দলিলটি ভুয়া বানোয়াট, জাল জালিয়াতি করে তৈরি করেছেন বলে ফরিদপুর জেলা জজ আদালতে একটি প্রতিবেদন দাখিল করিলে জেলা জজ আদালত নিষেধাজ্ঞার আবেদনটি খারিচ করে দেন।

আবু জাফর মুন্সী বিষয় টি বেগতিক দেখে মামলাটি হাই কোটে নিয়ে যান। মামলাটি সরকার বাদী হওয়ায় কারনে হিমাগারে চলে যায়।
 কারন তারা সরকারি চাকরী জীবি, বিভিন্ন জায়গায় বদলি হয়। আবু জাফর মুন্সী মাঝে মাঝে কোর্ট এ গিয়ে এডভোকেটদের সাথে দেখা করার কারনে মামলাটি দীর্ঘ দিন কোন সুরাহা হচ্ছে না। দীর্ঘ দিন পৌরসভার ৫৭ লক্ষ টাকা পড়ে আছে আবু জাফর মুন্সীর দখলে। আবু জাফর মুন্সী ২৭ টি দোকান তার লোকজন নিয়ে বহাল তরিয়াতে ভোগ দখল করছেন।

উল্লেখ এই দোকান ঘর গুলোর মধ্য ৮ টি দোকান ঘর মালিকরা ভূমি অফিস থেকে লিজ নিয়ে দোকানে ব্যবসা করে আসছিল।
 জাফর মুন্সী দলিল তৈরি করার কারনে,দীর্ঘদিন ভূমি অফিস থেকে লিজ নেওয়া দোকান ঘর মালিকরা পড়ে যান বিপাকে। ঘর মালিকরা তার পক্ষে না থাকিলে উচ্ছেদ করা হবে বলে হুমকি দেন।

 কিছুদিন পর পর মামলার খরচ নিতে থাকে। বাধ্য হয়ে এই ক্ষমতাধর জাফর মুন্সির পক্ষে যেতে বাধ্য হয়। সরকারের ঘরে লিজের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। আবু জাফর মুন্সি তিনি ভাঙ্গা বাজারে যে বাড়ীতে বসবাস করেন, জানা যায় সে বাড়ীটিরও জাল দলিল তৈরি করেছেন।
জায়গা টি সত্তর মোল্লাদের ছিল। ছত্তর মোল্লার ছেলে করিম মোল্লা ও রহিম মোল্লা তাদের জায়গাটি উদ্ধার করতে ব্যার্থ হয়, এ বিষয়েও তদন্ত হওয়ার দরকার। সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, কে এই আবু জাফর মুন্সী? জীবন জীবিকার জন্য এক সময় নিজে গরু দিয়ে হালচাষ আর কাচি দিয়ে জমিতে কাজ করতো, কৃষানের টাকা বাঁচাতে নিজে কাজ করতো জমিতে।

 এখান থেকে উঠে আসে রাজনীতিতে। কালো বাজারি (গোডাউনের গম কেনা বেচা শুরু করে) আর তাকে পিছে ফিরে তাকাতে হয়নি। ৮০ শতাংশ ভুমির মালিক থেকে হয়ে যায় শত শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক। মুসলিমলীগ, বঙ্গবন্ধু হত্যার পর বিএনপি, জাতিয় পার্টির সময় জাতীয় পার্টি,
 এর পর আবারও বিএন পি। আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এলে এরপর আওয়ামীলীগে যেতে চাইলে আওয়ামীলীগ তাকে গ্রহন করেনি। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য, বর্তমানে সংসদ সদস্য জনাব মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীর কর্মী সেজেছেন। তার আছে সুদক্ষ ক্যাডার বাহিনী, তার সাথে কারো ঝগড়া হলে তিনি ফোন দিলে ডাল কাতরা রানদা নিয়ে ভাংগা বাজারে চলে আসে তার ক্যাডার বাহিনী।

 ইতি পূর্বে এরকম ঘটনা প্রশাসনের সামনে বহুবার ঘটেছে, ভাঙ্গা থানার তৎকালিন ওসি নাছির সাহেবের মাথাও ফেটেছ। বর্তমানে সকলে তাকে ভয় পায়। চৌধুরী কান্দার পাথারে (চকে) যে ৫০ বিঘা জমি আছে এখানে ৭ টি স্যালো মেসিন বসিয়ে বিদদুৎ নিয়েছেন।
 উল্লেখ এই জমি গুলো যাহারা চাষাবাদ করে তাদেরকে তিনি ব্যাবহার করেন। এদেরকে ফোন দিলে প্রায় ১০০ রানদা ভাঙ্গা বাজারে চলে আসে, দেখে মনে হয় রানদা বাহিনী চলে এসেছে। তার বতর্মান রাজনীতি: বর্তমানে জননেত্রী শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাইয়ের ছেলে জননেতা সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীর সমর্থক সেজেছেন।

২ বার পৌরসভা মেয়র পদে নির্বাচন করে ফয়েজ মিয়ার কাছে হেরেছেন। জনাব মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী পৌর সভার জননেতা হয়েও এই জাফর মুন্সীকে নির্বাচিত করতে পারেননি। কারন তার বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ সাধারণ মানুষের। নির্বাচন করতে যেয়ে নৌকার ৫ টি নির্বাচনী অফিস ভেঙ্গে চুরমার করে দিয়েছেন।
হেরে যাওয়ার কারন, তিনি লিখতেও পারেন না, পড়তেও পারেন না। সাক্ষরটাও ঠিকমত লিখতে পারেন না। একটা দরখাস্ত দিলে তিনি পড়তেও পারেন না। এ বিষয়টি আমাদের জননেতা সংসদ সদস্য জনাব মজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরীও জানতেন না,জাল জালিয়াতির বিষয়টি শুনে তিনি খোভ প্রকাশ করেছেন।

 তা হলে পৌরসভা মেয়র নির্বাচিত হলে পৌরসভা পরিচালনা করবেন কিভাবে? আর এই ৫৭ লক্ষ টাকার বিষয়টি কি হবে?
এলাকাবাসি বলেন, তিনি পৌরসভার মেয়র হলে সরকারি সব সম্পত্তি উনি নিজের করে নেবেন। সরকারের অনেক জায়গা তিনি ভোগ দখলে আছেন। জীবনে অগনিত মানুষকে তিনি নিজ হাতে মেরেছেন । অনেক মানুষের সম্পত্তি তিনি আতœসাৎ করেছেন। একারনেই অনেকেই ভয়ে প্রতিবাদ করতে সাহস না পাওয়ার কারনে প্রায় শত শত কোটি টাকার মালিক হওয়ার সুজোগ পেয়েছেন।

 বাংলা লিখতে পড়তে না পারার কারনে একজন সহকারি নিয়ে চীন, থাইল্যান্ড, মালদ্বীপ সহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করেছেন। এলাকাবাসি প্রধানমন্ত্রী, ভূমি মন্ত্রি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দূর্ণীতি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। খুবই জরুরী ভাবে বিষয়টি তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। সম্পত্তির তফসিল পরিচিতি: ৫৫ নং সদরদি মৌজা ১ নং খাস খতিয়ানের ৮৭৪০০১৭৮৮ আর এস, দাগ নং ৬৮১, এস.এ ১ নং খাস খতিয়ান অধীন, ভূমি মাটিয়াল ৯০ শতাংশ সত্য প্রকাশের জের:

 বিশ্বস্ত সুত্রে জানাগেছে সাংবাদিকদের মারার জন্য ও টাকা খরচ করে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় দেওয়ার জন্য ইচাহাক মোল্লার দোকানে আবু জাফর মুন্সী, হাজী আঃ মান্নানগং তাদের বিরুদ্ধে গভীর সড়যন্ত্র করছে। এ বিষয়ে গতকাল রাতে তারা রুদ্ধদার বৈঠকও করেছেন । এ বিষয়ে আবু জাফর মুন্সী অপরাধ সংবাদকে জানান, এটা খাস জমিনা,মালিকাখানা জমি,আলাদতে মামলা চলছে । এ বিষয়ে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক অতুল সরকার অপরাধ সংবাদকে বলেন, যিনি অভিযোগকারী তাকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিন শুনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো ।

থত্য সুএেঃ অপরাধ সংবাদ

Leave a Reply

PropellerAds
PropellerAds